আরও দেখুন
যখন MACD সূচকটি শূন্যের বেশ নিচে নেমে গিয়েছিল তখন এই পেয়ারের মূল্য 1.1335 লেভেল টেস্ট করেছিল—যা এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করে দিয়েছিল। এই কারণে আমি ইউরোর সেল পজিশন ওপেন করিনি।
যুক্তরাষ্ট্রের আবাসন বাজার সংক্রান্ত প্রতিবেদনের ফলাফল অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাসের তুলনায় দুর্বল হওয়ায় মার্কিন ডলার ইউরোর বিপরীতে দরপতনের শিকার হয়েছে। এই ঘটনা ট্রেডারদের মনোভাবের ওপর লক্ষণীয় প্রভাব ফেলেছে; যারা মার্কিন অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সূচকগুলো ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন তারা একটি গুরুত্বপূর্ণ খাতের কার্যক্রম মন্থর হওয়া সম্পর্কে সংকেত পাওয়ায় সাধারণত ডলারের পক্ষে নয়, বরং বিরূপভাবে প্রতিক্রিয়া দেখান।
আজ দিনের প্রথমার্ধে জার্মানির জন্য GfK কনজিউমার ক্লাইমেট ইনডেক্স এবং ইসিবির অর্থনৈতিক বুলেটিন প্রকাশিত হওয়ার কথা রয়েছে। এসব প্রতিবেদনের ফলাফল ইউরোপীয় অর্থনীতির বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, এবং মার্কেটের ট্রেডাররা এগুলোকে ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করবেন।
GfK ভোক্তা ক্লাইমেট ইনডেক্সটি ভোক্তাদের মনোভাব ও বেশি কেনাকাটার ইচ্ছাশক্তি প্রতিফলিত করার একটি মূল সূচক। এই সূচকটি যদি বৃদ্ধি পায় তবে তা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে ভোক্তাদের আস্থার বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিতে পারে, যা ভোক্তা চাহিদা ও ফলত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে সহায়তা করে এবং ইউরোকে সহায়তা করতে পারে। এর বিপরীতে, যদি সূচকটির অবনতি হয় তাহলে তা ভোক্তাদের মধ্যে মুদ্রাস্ফীতি, বেকারত্ব বা ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা নিয়ে উদ্বেগের ইঙ্গিত হতে পারে, যা অর্থনৈতিক কার্যক্রম মন্থর করে দেবে।
ইসিবির অর্থনৈতিক বুলেটিনে ইউরোজোনের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির ব্যাপক বিশ্লেষণ অন্তর্ভুক্ত থাকে। এতে মুদ্রাস্ফীতি ঝুঁকি, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দৃষ্টিভঙ্গি এবং মুদ্রানীতিতে সম্ভাব্য ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ সম্পর্কে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মূল্যায়ন থাকতে পারে। যদি সুদের হার আরও বৃদ্ধির সংকেত পাওয়া যায় তাহলে তা ইউরোকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে।
দৈনিক কৌশল হিসেবে আমি প্রধানত পরিকল্পনা নং 1 ও নং 2 বাস্তবায়নের ওপর নির্ভর করব।
পরিকল্পনা. 1: আজ যখন ইউরোর মূল্য 1.1402-এর লেভেলে বৃদ্ধির লক্ষ্যে 1.1375-এর (চার্টে সবুজ লাইন দ্বারা চিহ্নিত) লেভেলে পৌঁছাবে, তখন আপনি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করতে পারেন। মূল্য 1.1402-এর লেভেলে গেলে, আমি লং পজিশন ক্লোজ করার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 30-35 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করব। আজ শুধুমাত্র ইউরোজোনে প্রকাশিতব্য প্রতিবেদনের ইতিবাচক ফলাফল প্রকাশিত হলে ইউরোর মূল্য বৃদ্ধি পেতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: এই পেয়ারের লং পজিশন ওপেন করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের উপরে রয়েছে এবং সেখান থেকে উপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা. 2: আজ MACD সূচকটি ওভারসোল্ড জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1355-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি ইউরোর লং পজিশন ওপেন করার পরিকল্পনা করছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের নিম্নমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে ঊর্ধ্বমুখী করবে। আমরা 1.1375 এবং 1.1402-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দর বৃদ্ধির প্রত্যাশা করতে পারি।
পরিকল্পনা 1: EUR/USD পেয়ারের মূল্য 1.1355-এর (চার্টে লাল লাইন) লেভেলে পৌঁছানোর পর আমি ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করার করার পরিকল্পনা করছি। বিক্রেতাদের জন্য মূল লক্ষ্যমাত্রা হবে 1.1330-এর লেভেল, যেখানে মূল্য পৌঁছালে আমি সেল পজিশন থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি এবং এন্ট্রি পয়েন্ট থেকে বিপরীত দিকে 20-25 পিপসের মুভমেন্টের উপর নির্ভর করে ইউরোর বাই পজিশন ওপেন করব। আজ আসন্ন প্রতিবেদনের দুর্বল ফলাফল প্রকাশিত হলে এই পেয়ারের উপর চাপ ফিরে আসতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ: শর্ট পজিশন ওপেন করার আগে, নিশ্চিত করুন যে MACD সূচকটি শূন্যের নিচে রয়েছে এবং শূন্যের নিচে নামতে শুরু করেছে।
পরিকল্পনা 2: MACD সূচকটি ওভারবট জোনে থাকাকালীন সময়ে মূল্য পরপর দুইবার 1.1375-এর লেভেল টেস্টের ক্ষেত্রে আমি আজ ইউরোর শর্ট পজিশন ওপেন করতে যাচ্ছি। এটি এই পেয়ারের মূল্যের ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার সম্ভাবনাকে সীমিত করবে এবং মূল্যকে বিপরীতমুখী করে নিম্নমুখী করবে। আমরা 1.1355 এবং 1.1330-এর বিপরীতমুখী লেভেলের দিকে এই পেয়ারের দরপতনের আশা করতে পারি।